সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

জুন, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

অসহায়

 কখনো নিজেকে দেখে নিজের কান্না পায়!? কখনো নিজেকে দেখে নিজের মায়া হয়!? এ পৃথিবী বড় নিষ্ঠুর,নির্দয়, নির্জন নিজের জন্য! কি জঘন্ন মায়া, নিষ্ঠুর চারপাশ, আধার রং নিজের ছায়ার!! কখনো নিজেকে দেখে নিজের কান্না পায়?! কখনো নিজেকে দেখে নিজের মায়া হয়?! নির্দয় জন নামধারী আপন। আজো কত রাত গোপন! বিধাতা জানে , নিচ সে নিজে! মনোরঞ্জন, মনোরঞ্জন, চিরন্তন পাপী বাসনা, আত্মার কি দোষ, আত্মিয়ের পরশ। পরম স্নিগ্ধতায় করেছে পাপী, নিজের কাছে নিজেকে!! কত যত্নে ভালোবেসে,অবশেষে!! কখনো নিজেকে দেখে নিজের কান্না পায়?!   কখনো নিজেকে দেখে নিজের মায়া হয়!? অসহায় বোকা বলে হয়, চায় যে যার মত হাসিমাখা ব্যবহারে, মিথ্যে মায়ার উপহারে। অদ্ভুত অসভ্য নিজে সভ্যতায় হারিয়ে খুজে আজ নিজেকে... নিজের জন্য মায়া হয়! কান্না পায় নিজেকে দেখে অসময় অসহায়!! ৭ মে ২৫

বাস্তব নাকি

 মানে দরকার বা প্রোয়োজন ছাড়া আসলে দুনিয়ায় কেউ কারো খোজও রাখেনা এই স্বাভাবিক ব্যাপারটা মাঝে মাঝে অস্বাভাবিক ভেবে ভুল হয়। #owntgought

হাট

 আকাশের নীলে বিদ্রোহ পৌছে দিলে,  বিবাগী সময় বড় অসহায় গাংচিলে,,,,,!! আসুক শ্রাবন,নামুক আধার, সেই নীলে, অঝোর ধারা নেবো বুক পেতে, ঠোঁটে ঠোঁট ছুয়ে দিলে.... আকাশের নীলে বিদ্রোহ, রদ্দুর, বেমানান সমুদ্রুর। গাঙচিল উড়ে যায়, চোখে চোখ অসহায়,কি মায়ায়।  আসুক শ্রাবন, নামুক আধার, সেই নীলে. অঝোর ধারা নেবো বুক পেতে,ঠোঁটে ঠোঁট এক হোক,অবলিলায় মায়া জালে,,,,!! রাত গুলো পর হয়, এক বুকে কত সয়,সারাদিন সে খেয়ালে,চারপাশের বন্দি দেয়ালে,বেখেয়ালে....!! আকাশেে নীলে বিদ্রোহ পৌছে দিলে, বিবাগী সময় বড় অসহায় গাংচিলে...!! আসুক শ্রাবন নামুক আধার,সেই নীলে, অঝোর ধারা নেবো, বুক পেতে, ঠোঁটে ঠোঁট ছুয়ে দিলে,, কেনোই বা পিছুটান, মিছে ভয়, অভিমান,ছিড়ে ফেলে,,,,  এ শ্রাবনে হই এক, বিসর্জনে বিবেগ,আত্মার আলিঙ্গনে, বৃষ্টিধারায় আজ দুজন মিলে,,,!!! #ownthought

পরে

 যদি কখনো সময় হয়, এসো সময় করে, এ পৃথিবীর শেষ প্রান্তে আছি একা দাড়িয়ে.. রঙ্গিন দুনিয়া ছেড়ে, রং এর উৎস অনুসন্ধানে।। সময় নিরব হয়ে থাকে সে পাড়ে,  থমকে থাকে সব, নিশব্দ কলরব,অনুভুতিরা কথা বলে..রেখে চোখ, চোখের উপরে, নিশব্দ নিরবে।  নেই ক্ষুধা, নেই গ্লানি,মান-অপমান, যশ, হিংসা_প্রতিহিংসা,ভয়, জয়-পরাজয়,ক্ষ্যাতি আর সংশয়... এ পৃথিবীর শেষ প্রান্তে... এসো সময় করে,যদি কখনো সময় হয়। কেউ নেই, কিছু নেই, তবু কোনো কিছুরই কমতি নেই, শান্তির দরজা খোলা সারাবেলা।  যদি কখনো সময় হয়, এসো সময় করে।  এ পৃথিবীর শেষ প্রান্তে আছি একা দাড়িয়ে। নিস্তব্ধ উজ্জলতা,নিরবেই কলরব, নিজের মতই সব। নেই সমাজ না সামাজিকতা, নেই দেশ না বিদেশ,উন্মুক্ত বহুকাল বহুদূর যতদূর কল্পনায় তা চেয়ে অসিমে অনেকদূর হেটে বেড়াই যেদিক চায় মন যখন তখন,নির্বাক চেয়ে কথপোকথনে জেগে রই চিরন্তন। রঙ্গিন দুনিয়া ছেড়ে, রং এর উৎস অনুসন্ধানে। জীবনকে জীবনের মতো জীবিত হতে এসো চলে। যদি কখনো সময় হয়, এসো সময় করে।।  #ownthought

নিজের লেখায় নিজেকে হনন।

 পৃথিবীর বুকে আমি এক উটকো বোঝা,অতিরিক্ত ঝামেলা, অন্যের ভাগের বিশুদ্ধ অক্সিজেন দহনকারী,অন্যের ভাগের বিশুদ্ধ জল, আহার সেবনকারী...  অতিরিক্ত বিষাক্ত গ্যাস বিশুদ্ধ বাতাসকে দূষন করে ছাড়ি। এ স্বার্থপর আমি নিজেকে রেখেছি সব স্বার্থের উপর, রাখব হয়ত আমৃত্যু জনমভর।।  যতদিনে প্রকৃতস্থ উপায়ে নিয়ে যাবেনা আমায়,ততদিন অপচয় করে যাব বিশুদ্ধ তোমায়। মনে রাখা উচিত আমি বিষাক্ত মানুষ, বিষ নিয়ে আছি বেচে প্রতিনিয়ত গ্রহনে,যতদিনে হজম হয় ততদিনে না জানি কতটা থাকে বাকি নিজের জীবন ক্ষয়।  ক্ষয় করি অবিরত, তবু আয়ুরেখা লম্বা যত, আছে সময় অনেক এরকমটাই মনে হয়।

পরে

 সফলতার সঙ্গা খুজতে বের হয়েছিলাম,তারপর নিজেকে পৃথিবীর অন্যতম সফল ব্যার্থ মানুষ হিসেবে আবিষ্ককার করেছি। #ownthought

নাই

 রুপকথার বুকপকেটে তোমায় নিয়ে ঘুরি, চুপকথার চন্দ্রলোকে তোমার জন্য গড়ব তবু সিড়ি। আকাশ কুসুম সপ্নে গড়া ভিনগ্রহে...খুব ইচ্ছে করে.. তোমায় নিয়ে ডানা মেলে উড়ি।  জীবনভর কাটেনা প্রহর, তুমিহীনা আমায়, আচমকা অমাবস্যায়, আধার রং এর জুড়ি। আজ একলা আমি এক আকাশেই উড়ি।

ডরে

 চিতা জ্বলছে প্রতিনিয়ত বুকের ভেতরে, কাশিতে যেমন সারাক্ষন। নিরবে বয়ে চলে সময় একাল সেকাল নিরন্তন...চিরন্তন। আকাশ, বাতাস, আলো, আধার, মহাকাশ গোলকধাধা.. ভেদ করে আদিমে জাগতিক যত নিষ্ঠুরতা। মহাজাগতিক প্রলয়ের দিন গোনা, সৃষ্টি বিকাশ উল্লাসে। শ্বশানে আর হয়না যেতে, ধারন করি অন্তরে। #ownthought

শুধু মাত্র সম্পর্ক রক্ষার জন্য মুখে মিষ্টি আর বুকে বৃষ্টি ঝড়ানোর পাবলিক আমি না।

 মধ্যরাত অনেক, আলো কই?  তুমি ছাড়া চারদিক শুধু অন্ধকার।  আকাশ পানের বিশালতায় দেখি মন তোমার, সাগরের কোলাহলে ছুয়ে যায় এ মন আমার। দিগন্তে তাদের মিলন মেলার সমাহার। মধ্যরাত অনেক। আলো,কই তুমি ছাড়া,সব অন্ধকার।

বাড়াবাড়ি।

 সিরিয়াস ইস্যুতে বেশি সিরিয়াস হওয়া ঠিক না, কারন এতে নিজের কষ্ট বাড়ে,আর নিজেকে কষ্ট দেয়া আমার কাছে পাপ, নিজেকে কষ্ট দেয়ার অধিকার কখনোই নিজের নাই। আত্মহনন যেমন মহাপাপ ঠিক তেমনটাই। তাই সিরিয়াস ইস্যুতেও বেশি সিরিয়াস হওয়া ঠিক না।

সময় অসময়।

 দুঃসময়ে কেউ কারো পাশে না থাকলে যদি তারও দুঃসময়ে তুই পাশে না থাকিস, আর দুঃসময়ে কেউ পাশে থাকলে তুই থাকবি, এটাও ত স্বার্থের বিনিময়েই পাশে থাকা-পাওয়া হয়ে গেলো,তাহলে কে আগে নিজের স্বার্থ ত্যাগ করতে পারে এটা একটা দেখার বিষয়, আবার তুই কারো দুঃসময়ে পাশে থাকলে যে তাকে পাশে পাবি এটা আশা করাই বোকামি, মানুষের সাইকোলোজি জন ভেদে ভিন্ন, কারোর সাথে কারোর মিল নাই,স্বার্থপর শব্দটার প্রতি আমাদের দৃষ্টিকোন যতটা খারাপ শব্দটা কিন্তু ততটাও খারাপ না, এখানে খারাপ অন্যকিছু 😅 #ownthought

ত্বধ্য

 জীবনের শেষে,পূর্বের সকল সমষ্যা, জটিলতা, গন্ডগোল ও ঝামেলার মীমাংসা কি পারে মোক্ষ লাভের মতো মুক্তি দিতে?? নাকি পূর্ব জন্মের সব জটিলতারও মীমাংসা করতে হবে? যদি হয়, সেটা কিভাবে? রাস্তা কী?

নববর্ষ

 জীবন কোথায় বর্ষবরনে?  জীবন ফেরে কারাবরনে!  জীবন কোথায় বর্ষবরনে?  জীবন জাগে প্রকৃতির চরনে!  অহম সব ধুলোয় লুটাক, এ চাওয়া প্রতি স্মরনে!  আধার ঘনাক তীব্র আধারে,  আসবে আলো, আধার আরো তিব্র হলে। লুকানো ছিলো যত বিশ্বাস,  ভেঙ্গে, নিজের প্রতি করুনায় বাড়ে দৈর্ঘশ্বাস,চলে আসছে প্রাচিন থেকে বর্তমান পেরিয়ে ভবিষ্যতেরও বর্তমানে, অপমানে। জীবন কোথায় বর্ষবরনে! দ্বিধায় দিন আর কত করব মলিন,একটুকু তো সময় এটাই আকড়ে বাঁচতে চাওয়ার মতো করে দিন কাটানো নিজেকে ঘিড়ে, বাকিটা জীবন শুধু নিজেকে সময় দিয়ে!!

চিন্তায় কি আসে যায়।

 যখন মানুষের দিন খারাপ যায় তখন সবাই নিজ অবয়বে দেখা দেয়.. এটা সময়ের ধারা মাত্র, একদিন, সব ঠিক হয়ে যাবে।

সবই পরের।

 পৃথীবি সৃষ্টির যত লক্ষ কোটি বছর হে গেছে এখন এখানে আমরা যাই করি সবই কারোর না কারো কপি সেটা আমরা জানিনা হয়ত নিজে নিজে উপলব্ধিকৃত তাই নিজের মনে হয়,নিজের কিছুই না।শরীরটাও না🙂! #thought

আজগবি নয় কিন্তু।

 প্রেম নয় চাই বিচ্ছেদ,  এ বিচ্ছেদেই বাড়ুক আক্ষেপ,  আক্ষেপে আসক্ত জীবন,  যৌবনে চাই না আর ফেরত তা আমরন!  একা হতে চাই আজীবন!  পিছুটানের মায়ায় আর কত করে নিজের বিসর্জন!  শেষ হোক চিরতরে, এ আধারে, হবো সর্বজনীন, ভবঘুরে,আকাশ পাতাল এক করে।  মরুর মতো উত্তপ্ত আলোয়, আধারে শিতল করে। মরীচিকার পিছু কত আর ?  চাই না কোনো ভুল আবিষ্কার, হৃদয়ের ক্ষত বাড়াতে। চাই হারাতে,চিরতরে শুধু হারাতে, অচেনায় হাত বাড়াতে।  প্রেম নয় চাই বিচ্ছেদ,, এ বিচ্ছেদেই বাড়ুক আজন্ম আক্ষেপ।।  এ আক্ষেপ বোঝাবে, হয়ত বোঝাবেনা, তাতে কিছু আসে যাবে না, এক ভবঘুড়ের হৃদয়ে। সাগর বিলাসী নই, পাহাড় পিপাসী নই,  এ সভ্যতার কোলাহলে ক্লান্ত, নিজেকে নিজের সময় দেয়ার সুযোগ.... সুযোগ সন্ধানী নই... হৈ চৈ !!  মাথার মগজ চেনে,চেনায়, জানে, জানায়, জানতে চায়, মগজের পোকা মনে,  বোঝাতে পারেনা কখনোই নিজেকে,  তোমাদের সভ্যতায়..।।  #thought

জানা নেই বাস্তবতা।

 কঠিন চা এ লিকারের বাস্তবতা শেখায় সৌন্দর্যের তিক্ততা। শান্তির সমাবেশে অর্বাচিন ঘোষিত যৌনতা কাদে নিরবে। নির্দয় নয় শুধু নিজের বেলায়, চক্ষুশূল পরাক্রমে বিচার কি নির্ভুল!!   মগ্ন নিজে ছড়িয়ে বেরাচ্ছে দুর্গন্ধ,সেবেলায় চোখ টেপে। আহ্ সমাজ.. কি রঙিন,, সাদা কালো সমাবেশে। চেতনার দন্দে দন্ডের পাল্লা তার ভারি, বাকিদের বেলায় হয়ে যায় ইচ্ছেয় জারি আবগারি। বিষন্ন পৃথিবীতে আত্মতৃপ্তির সর্বোচ্চ পর্যায় কী? স্বাধীনতা,সেক্স, আত্মমর্যাদা, সম্পদ নাকী প্রীয়জনদের মুখের হাসি?? সবই কি?? নাকি এক জনে এক, একেক জনে হরেক? কঠিন চা এ লিকারের বাস্তবতা শেখায় সৌন্দর্যের তিক্ততা। আবেগ শুধু নিজের বেলায়, অন্যের বেলায় বিবেগের খেলা। এটা কি নয় প্রাকৃতিকতার বিরুদ্ধাচারন? মরন অব্দি জাহান্নাম জান্নাত এখানেই বিচরন।।

দীপ্ত

 কাঠ পাথরের চোখে নিজে অসহায় না দেখিয়ে,  নির্দয় করে গড়ে তোলা, জীবনের সাথে সবচেয়ে বড় বোঝাপড়া। আকাশ থেকে আরো আছে যতো উঁচু, তার থেকে ঘুরে ফিরে আসে বারবার সেই নিচু, ভূমি, সমতল, পাতাল।  অগ্নি বিষ্ফোরনের গোলক ধাঁধাঁয়, জীবন আবিষ্কৃত হয় প্রতিবার, তবু অতীত ঘুড়ে ফিরে বার বার আসে নতুনের সাথে, নিত্য আবিষ্কারে নিজের ভেতর গড়াতে,পোড়াতে.. তারপর এক পাথর আরেক পাথরের সংস্পর্শে স্ফুলিঙ্গ.. নিছক ক্ষুদ্র.. তবু তো শুরু।।  অর্বাচিন পরগাছা.. পরজীবী বললেও নয় বেমানান!! এর থেকে বহুগুনে ভালো স্ফুলিঙ্গ, নিজস্বতা, নিঃসঙ্গতা, একাকিত্বতা..নিজেকে চেনার জাগ্রতা। অন্তিমের পরাজয় মেনে, যতটুকু সম্ভব আত্মতৃপ্তির অনুভূতি শান্তির, নির্দ্ধায় পরাজিত হই, হতে চাই বার বার, শান্তির সমীক্ষায় পেছনে ফেলে জয় পরাজয়ের কারবার।  পাথরের গুহায় আবিষ্কৃত, প্রতিচ্ছবি বার বার মনে করিয়ে দেয় ক্ষণস্থায়ী সব যুুগ যুগ থেকে বয়ে আসে একসময় হয় নীরব!!  শুধু শান্তিই প্রানকে করে, করে চলে চিরঞ্জীবী, চিরঞ্জীবী পথ.. যার অন্ত হয়না ঘুড়ে ফিরে বারবার শুরুতেই শেষ হয় শুরু...!! #please_do_not_copy_this

করোনা ১৯/২০/২১..

 বিষাক্ত নগরীর বিষঃক্ষয় হচ্ছে, প্রকৃতি তার নিজস্ব রূপে নিজেকে গড়নের শ্রেষ্টা করছে,  তবে জানেনা সে কত শিঘ্র শেষ এর সম্মুখ উন্মোচনের। সভ্যতার অবস্থা নাকাল প্রায়, জীর্ণসব, ফ্যাকাসে হচ্ছে ক্ষমতার মুকুটধারীদের চারপাশ। অতিক্ষুদ্রের হানায় গোটা বিশ্বের শ্রেষ্টত্বে আজ ফাটল ধরেছে। এমন কিইবা মহত্ব এই সভ্যতায় ?  নাকি, অতি অভিশাপের কৃত্রিম এক দূরবস্থায়। কার এ দায়ভার ? সচেতনতার টনক নড়ে চড়ে উপড়ে যাওয়ার অবস্থা। এটা থেকে মিললে রেহাই কি সেই আগের পথে ফিরবে সব !?!  নাকি, এতোকিছু ভুলেও তা আগের থেকে বেশি রব ?!?

ভালোবাসার অনুভব!

  প্রেম কি ? প্রেম জানে প্রেমিকার অথবা প্রেম জানে প্রেমিকের। ভালোবাসা কি? ভালোলাগা থেকে আসে ভালোবাসা, ভালোবাসায়, এখানে নিজেকে ভালোবাসা জরুরি আগে,কেউ নিজেকে ভালো না বসলে অন্যেকে কিভাবে ভালোবাসবে ? এটা আশা করা যায়?নিজের প্রতি ভালোবাসা ছাড়া অন্যের সাথে সে সম্পর্ক গড়ে ওঠে তা হয় সহানুভূতি নয় দয়া আর নাহলে কোনো স্বার্থের প্রয়োজনে মৌনতা।। ভালোবাসা যায় সবকিছুকেই..  জড় থেকে শুরু করে বহু জীবে বহু মানুষে বহু অমানুষেও.. এটাই ভালোবাসার প্রকৃতস্থ নিয়ম..কেউ না মানলেও,যারা মানে তাদের কিছু আসেনা তাতে। রঙ, রঙহীন, জীব,জড়,অগ্নি, আত্মা,জল..  ভালোবাসা এমনি এক জিনিষ যা বয়ে চলে অনর্গল..  অনাবিল স্নিগ্ধতা যাতে মিশে রয়.. ক্ষত বাড়লেও কখনো হয়না ক্ষয়.. নির্ভয় অভিনয়, অভিমান জমে যায় ক্ষতে, ক্রোধে ক্রমশ বেড়ে যায় ভালোবাসা.. আড়ালে ঢেকে যায় তবু..কভু চাপা পড়া বীজ অঙ্কুরিত হয় মাটি ফেটে... ঠিক তেমনই...  নিগার, নিষ্পাপ ভালোবাসায় বহমান ।। প্রেমের জন্ম কি তবে ভালোবাসা থেকে?  হতে পারে।  একজীবন পার না করেই, এই পথের উপলব্ধি..  না জানি পথে আরো আসে কত শুদ্ধি..  শেষ অব্দি দেখার আশায়, জানা ...

অদূরে আস্তাতা

 জেকে বসেছে ঘুম, হাজারো নির্ঘুম রাত কাটিয়ে..জানা নেই ঠিকানা, কেউ যেনো বলেছিলো অদূরে আস্তানা! আস্থা নিয়ে তবু, কতশত হরেক পাখি অনুসরন করে ছোটে আস্তানায়, এরই মাঝে নিজের বড়াই দেখাতে কেউ আস্থা ছেড়ে অস্তিত্ব বির্ষজনে বিষপানে মগ্ন... মৌনতা খুজে নিজেকে ঘিড়ে, পরিধি সিমায় আবদ্ধ রেখে নিজের নিজেকে। গান গাওয়া পাখি জানে মায়া.. মলিন তারা নির্মল সর্বাত্মক গ্রহনে, বিলিয়ে নিজেকে, প্রতিনিয়ত উৎসর্গ করে চলে প্রকৃতির উচাটনে। আধার ঘনায় কত.. দেখিয়ে, দেখানোর মতো সমঝোতায় নিজেকে রাখেনি আধারে.. আলোমাখা মুখে হাসি নিয়ে ছুটে চলা অবিরত... জেকে বসেছে ঘুম, হাজারো নির্ঘুম রাত কাটিয়ে..জানা নেই ঠিকানা, কেউ বলেছিলো অদূরে আস্তানা... আস্থা রেখে হেরেও হারেনি কভু.. প্রতিনিয়ত আঁধারের আলিঙ্গনে আলোর প্রভু.. নির্বাক চোঁখে বুক বিদীর্ণ অভ্যাসে, অস্তিত্বের পথে মনযোগী, মরে যায় তবু। আলোমাখা মুখে হাসি নিয়ে ছুটে চলা অবিরত!!  বি:দ্র: সরাসরি লেখা এখানেই সব, নিজের মতো করে, বানান থেকে শুরু,করে যাবতীয় ভুল বিবেচনায় ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টি এবং সংশোধিত করার জন্য আন্তরিকভাবে অগ্রিম কৃতঙ্গতা জ্ঞাপন করছি 🙏।

জানা নেই কিছু তবু..

 সমুদ্রের বিশালতায় ভিজেছি,অস্তিত্বের কোলাহলে ডুবেছি! আধারের নির্জনতায় হারিয়ে,বার বার খুজেছি,শুধু খুজেছি,খুজেই চলেছি..! এ সুবিশাল কল্পনার সীমানা অতিক্রম করার দুঃসাহস কখনো হলেও, তা করার সাহস আর এখন হয়না। কি মায়া,নিস্তব্ধতা,কি অপরূপ সৃষ্টি, তবু বৃষ্টি, কখনো তা কান্নার বৃষ্টি। তবু কেনো বারেবার, চলে যাই গভিরে,ফিরে আসি বার বার অস্তিত্বের নীড়ে। হাজার জন্ম জন্মেছি,ভুল জন্মে আজীবন মৃত্যু বরন করেছি! অতৃপ্ত আত্মাটা কতবার, কত জন্মে কত শত সহস্র শতাব্দি ধরে অতৃপ্ত, জানে সে! তবে বোঝাবে আর কাকে! কে আছে কার অনুরাগে.. শান্তি মেলে, শান্তির খোজে, অসুখে আত্নার অবক্ষয়ে কত কেউই যে কতগুন ভুল বোঝে! হয়না তার দরকার, যেচে গিয়ে তা ভাঙ্গাবার, কত নতুন আবিষ্কার, পিছে পড়ে রয়, প্রতিনিয়ত মুহূর্তেই যেন আত্মার ক্ষয়। পড়ে রয় পড়ে রয়। জিবন শুধুই অতিবাহিত হয়, অতিবাহিতই হয়। জন্মই যেখানে আজন্ম পাপ,হবে কি? তবে অনুরাগ! অতৃপ্ত ইচ্ছে যা আছে সব পড়ে রয়, পড়ে থাক,হোক ক্ষয়! অতৃপ্তির যে ব্যাথা,মুহুর্তেই রয় গাথা, তা বাড়ে চিরতরে, মুক্তির তরে, শুধু মুক্তির তরে!  __  গানের লিরিক্স হিসেবে লেখা♠ বি:দ্র: সরাসরি লেখা এখানেই সব, নিজে...